সৈয়দ জহুরুল হক সমাজ উন্নয়নে একজন স্বপ্নবান মানুষ

378

Zohurul_n

লন্ডনের টাওয়ার হেমলটস কাউন্সিলের নির্বাচন আগামী ৩রা মে মাসে অনুষ্ঠিত হবে। বাঙালি অধ্যুষিত এ কাউন্সিলের নির্বাচনের প্রচার ইতোমধ্যেই জমে ওঠেছে।

মূলধারার রাজনৈতিক সংগঠনসহ স্থানীয়ভাবে গড়ে ওঠা কয়েকটি সংগঠন এ নির্বাচনে অংশ নিয়েছে।পিপলস এলায়েন্স এমনি একটি সংগঠন। পিপলস এলায়েন্স থেকে মনোনীত হয়ে সৈয়দ জহুরুল হক টাওয়ার হেমলেটসের বেথনালগ্রীন ওয়ার্ডে কাউন্সিলার পদপ্রার্থী হয়েছেন। সৈয়দ জহুরুল হক স্থানীয় কমিউনিটির উন্নত জীবনযাপন,সমতাভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় অবিরাম কাজে যুক্ত থাকা একজন অঙ্গীকারাবদ্ধ ব্যক্তিত্ব। তাঁর এসব কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ২০১৬ সালে টাওয়ার হেমলেটস কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সিভিকস এওয়ার্ডে ভুষিত হয়েছেন।একজন সফল কর্মোদ্যোগী সমাজকর্মী সৈয়দ জহুরুল হক  নিরন্তর সমাজ উন্নয়নে কাজে যুক্ত থাকার অভিপ্রায় থেকেই কাউন্সিালর প্রার্থী হওয়া। তিনি চান বিদ্যমান সমাজের আরো উন্নয়ন, নানা ক্ষেত্রে পিছিয়ে-পড়া সমাজের অংশকে এগিয়ে নেয়া। বহুভাষিক, বহুজাতিক এবং বহু সংস্কৃতির দেশে যাতে একটি ঐক্যবদ্ধ ও উন্নত সমাজ সুরক্ষা হয়-তা নিশ্চিত করা।

সমাজ উন্নয়নে নিবিষ্ট ও একনিষ্ট এই স্বপ্নবান পুরুষ ব্যক্তিগত জীবনে একজন দক্ষ ইন্টারপ্রিটার,ট্রেনসলেটার সর্বোপরি ডিপিএস আই ডিগ্রিধারী একজন জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব। তিনি বাংলা মিডিয়ার প্রিণ্ট ও ইলেক্ট্রনিক  উভয় ক্ষেত্রে সাংবাদিকতায় যুক্ত রয়েছেন।সাংবাদিকতায়ও সমাজ উন্নয়নে একজন কলম সৈনিক তিনি।

তিনি কাজ করেছেন বাংলা মিডিয়ায় যেমনি,তেমনি করেছেন বিভিন্ন কালচারাল সংগঠনের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক বিকাশসাধনে, সেই সঙ্গে কাজ করেছেন চ্যারিটি সংগঠনের সমাজসেবামূলক কাজে,শিক্ষাক্ষেত্রে পেরেন্টেস গভর্নর হিসেবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন শিক্ষামূলক প্রণোদনায়।তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন কালেক্টিভ অব বাংলাদেশী স্কুল গভর্নরস সংগঠনের ভাইসচেয়াম্যান হিসেবেও। এছাড়া বেথনালগ্রীন বায়তুল আমান জামে মসজিদ এন্ড কালচারাল সেন্টারের প্রতিষ্ঠা কাল থেকেই বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

সৈয়দ জহুরুল হক এমন ব্যক্তি যিনি সমাজ উন্নয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করাকে আরো জনঘনিষ্ঠ,গতিশীল এবং নিবিড় করার স্বপ্ন থেকেই টাওয়ার হেমলেটসের বেথনালগ্রীন ওয়ার্ডে প্রার্থী হয়েছেন। সমাজ উন্নয়নে সুনির্দিষ্ট কর্মসূচী বাস্তবায়ন করতে হলে অবশ্যই একটি ফোরামে বা প্রতিষ্ঠিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কাজ করা জরুরী। এতে যে কোনো অঙ্গীকারকেও মানুষের দোড়গোড়ায় নেয়া সম্ভব হয়ে ওঠে।সৈয়দ জহুরুল হক নিবার্চিত হলে এরকম একটি আশাই তাঁর নির্বাচনী বেথনালগ্রীন এলাকার মানুষ পোষণ করেন। কারণ,তিনি ন্যায়নিষ্ঠ,সৎ ও উদ্যোমী সমাজকর্মী। যে কোনো বিষয়ে তিনি বিতর্কের উর্দ্ধে থাকেন,ন্যায়ের পক্ষে তাঁর অবস্থান সকলের জানা।

দুই দশক ধরে তিনি টাওয়ার হেমলেটসের বাসিন্দা হওয়ার সুবাদে পিছিয়ে পড়া এ বারার বাসিন্দাদের ঘনিষ্ট বন্ধু,আপনজন হয়ে বিদ্যমান নানা সমস্যা সমাধানে পাশে দাঁড়ানোর বিরল ব্যক্তি সৈয়দ জহুরুল হক নির্বাচিত হলে উন্নয়নাদর্শে উজ্জ্বীবিত হবে বারার পিছিয়ে পড়া বাসিন্দারা,সমতার পথে এগিয়ে যাবে ওয়ার্ডের অভিযাত্রা।