ব্রেক্সিট: দ্বিতীয় গণভোটের দাবিতে করা পিটিশন বাতিল

51

বিলেতবাংলা ডেস্ক, ৯ জুলাই:   ইউরোপীয় ইউনিয়নে থাকা বা না থাকা প্রশ্নে দ্বিতীয় গণভোট আয়োজনের দবিতে করা পিটিশন বাতিল করে দিয়েছে যুক্তরাজ্য সরকার। অনলাইনে করা ওই পিটিশনে প্রায় ৪১ লাখ মানুষ সাক্ষর করেছিল।

২৩ জুন ঐতিহাসিক গণভোটে যুক্তরাজ্যবাসী ইইউ-র সঙ্গে বিচ্ছেদের পক্ষে রায় দেয়।

ওই দিন ৫২ শতাংশ ভোটার বিচ্ছেদের পক্ষে এবং ৪৮ শতাংশ ভোটার থেকে যাওয়ার পক্ষে ভোট দেন।

ভোটের ফলাফলে খুব বেশি ব্যবধান না থাকায় ‘থেকে যাওয়ার পক্ষের ভোটাররা’ আবারো গণভোট আয়োজনের দাবি তোলে।

পিটিশনে যুক্তরাজ্য সরকারের কাছে গণভোট নিয়ে নতুন একটি আইন প্রণয়নের দাবি করা হয়। ওই আইনে, গণভোটে কোনো পক্ষ যদি ৬০ শতাংশের কম ভোট পেয়ে জয়লাভ করে এবং মোট ভোটারের ৭৫ শতাংশের কম যদি ভোট দেয় তবে নতুন করে গণভোট আয়োজন করতে হবে বলে পরামর্শ দেওয়া হয়।

যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র অধিদপ্তর ওই পিটিশন আবেদন বাতিল করে বলে, আইন প্রণয়ন করে কম ভোটার উপস্থিতির জন্য বা ভোটের ফলাফলের জন্য সীমা নির্ধারণ করা যায় না।

“প্রধানমন্ত্রী এবং সরকার পরিষ্কার করে বলেছে, এটা ঐতিহাসিক ভোট গুলোর একটি ছিল। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এই সিদ্ধান্তকে অবশ্যই সম্মান জানাতে হবে।”

“আমাদেরকে এখন অবশ্যই ইইউ থেকে বেরিয়ার যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরুর প্রস্তুতি নিতে হবে। আলোচনার মাধ্যমে যুক্তরাজ্যের জনগণের জন্য সম্ভাব্য সবচেয়ে ভালো বিষয়গুলো নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতি বদ্ধ।”

গণভোটের ফলাফল প্রকাশের দিনই ডেভিড ক্যামেরন প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় প্রধানের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষনা দেন।

কনজারভেটিভ দলের সম্ভাব্য দুই প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টেরিজা মে এবং জুনিয়র এনার্জি মন্ত্রী আন্ড্রেয়া লিডসম।

তারা উভয়ই মনে করেন, গণভোটের ফলাফল নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলা উচিত না এবং ব্রেক্সিট বাস্তবায়ন হতেই হবে।

যদি গণভোটের আগে মে ইইউতে থেকে যাওয়ার পক্ষে তার মত দিয়েছিলেন। কিন্তু কোনো ধরণের প্রচারণায় অংশ নেননি তিনি।

অন্যদিকে ব্রেক্সিটের পক্ষে প্রচারণায় মূখ্য ভূমিকা পালনকারীদের অন্যতম ছিলেন লিডসম। তিনি বলেন, ইইউ-র বাইরে যুক্তরাজ্য আরো উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।