‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত যুবক অভিজিৎ হত্যায় প্রধান সন্দেহভাজন

62

বিলেতবাংলা ডেস্ক,২০ জুন: রাজধানীর খিলগাঁওয়ে বন্দুকযুদ্ধে নিহত যুবক বিজ্ঞানমনস্ক লেখক ও ব্লগার অভিজিৎ রায় হত্যায় প্রধান সন্দেহভাজন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার মাশরুকুর রহমান খালেদ রোববার সকালে সমকালকে বলেন, নিহত যুবকের নাম শরিফ। সর্বশেষ যে ৬ জঙ্গিকে ধরতে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল শরিফ তাদের একজন। অভিজিৎ হত্যার মামলার মূল সন্দেহভাজন আসামিও সে। এছাড়াও অন্য লেখক ও ব্লগার হত্যার সঙ্গে শরিফের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।

মাশরুকুর জানান, প্রকাশক আহমেদুর রশিদ টুটুলকে হত্যা চেষ্টার ঘটনায় রিমান্ডে থাকা পুরস্কার ঘোষিত জঙ্গি সুমন হোসেন পাটোয়ারি (২০) ওরফে সাকিব ওরফে সিহাব ওরফে সাইফুলের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। এর অংশ হিসেবে গতকাল রাতে খিলগাঁও এলাকায় অভিযানে যায় ডিবি। এ সময় খিলগাঁও থানার মেরাদিয়া বাঁশপট্টি এলাকায় মোটরসাইকেলের আরোহী তিন যুবক পুলিশের তল্লাশিচৌকি পার হচ্ছিল। এ সময় পুলিশ সিগন্যাল দিলে তারা মোটরসাইকেল না থামিয়ে গতি বাড়িয়ে দেন। পরে যুবকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। আত্মরক্ষার জন্য পুলিশও পাল্টা গুলি করে। ওই সময় ঘটনাস্থলে শরীফ গুলিবিদ্ধ হন। পরে অপর দুজন মোটরসাইকেল রেখে পালিয়ে যান।

তিনি বলেন, ‘প্রথমে আমরা নিহত যুবককে চিনতে পারিনি। পরে দেখি, তার চেহারার সঙ্গে পুরস্কার ঘোষিত জঙ্গি শরিফের মিল রয়েছে।’

ঘটনাস্থল থেকে বন্দুকযুদ্ধের পর একটি পিস্তল ও দুটি গুলি উদ্ধার করেছে পুলিশ।

২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় কুপিয়ে হত্যা করা হয় অভিজিৎকে। যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী অভিজিৎ বই মেলায় অংশ নিতে ওই মাসেই স্ত্রীকে নিয়ে দেশে এসেছিলেন। অভিজিৎ হত্যাকাণ্ডের কয়েক মাস পর ওই হত্যার দায় স্বীকার করে বিবৃতি এসেছিল আল-কায়েদার ভারতীয় উপমহাদেশ শাখা (একিউআইএস) নামে।