হলমার্কের বিরুদ্ধে মামলার বিচার শুরু

76

 

বিলেতবাংলা ডেস্ক, ২৭ মার্চ: বহুল আলোচিত হলমার্ক গ্রুপের ঋণ কেলেঙ্কারির ঘটনায় দায়ের হওয়া নয়টি মামলায় প্রতিষ্ঠানটির ব্যাবস্থাপনা পরিচালক তানভীর মাহমুদসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। আগামি ২১ এপ্রিল মামলায় সাক্ষির জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে। ফলে হলমার্কের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এ মামলাগুলোতেও বিচার শুরু হল।

রবিবার ঢাকার জেষ্ঠ্য বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. কামরুল ইসলাম মোল্লা আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে অভিযোগ গঠন করেন। একইসঙ্গে সবকটি মামলা বিচারের জন্য ঢাকার ১ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

অন্যতম আসামি গ্রুপের জিএম তুষার আহমেদ আসামির পক্ষে উচ্চ আদালতে রিট আবেদন ছিল। সম্প্রতি ওই রিট আবেদন খারিজ হয়ে যায়। ফলে এ মামলাগুলোতে চার্জ গঠন করা হয়েছে।

এর আগে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ পড়ে শোনালে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। জামিনে থাকা আসামি গ্রুপের চেয়ারম্যান জেসমিন ইসলাম ও ডিএমডি আতিকুর রহমান (বর্তমানে ওএসডি) হাজির ছিলেন। আসামিদের পক্ষে আদালতে অব্যাহতির আবেদন করেন ব্যারিস্টার ফকরুল ইসলাম।

মামলার অন্য আসামি প্রতিষ্ঠানটির মালিক তানভীর মাহমুদ, সোনালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের জিএম মীর মহিদুর রহমান, দুই উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) শেখ আলতাফ হোসেন (সাময়িক বরখাস্ত) ও মো. সফিজউদ্দিন আহমেদ (সাময়িক বরখাস্ত) কারাগারে আছেন। তাদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।

 

এ মামলায় কারাগারে থাকাবস্থায় হার্ট এটাক করে মারা গেছেন সোনালী ব্যাংক হোটেল রূপসী বাংলা শাখার ব্যবস্থাপক একেএম আজিজুর রহমান। অন্যরা পলাতক রয়েছেন।

 

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি অন্য দু’টি মামলায় হলমার্ক গ্রুপের চেয়ারম্যান জেসমিন ইসলাম ও এমডি তানভীর মাহমুদসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

 

২০১৪ সালের ১৩ নভেম্বর একই আদালত ১১ টি মামলায় পলাতক ১৭ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। পরবর্তীতে পত্রিকায় আসামিদের পলাতক দেখিয়ে গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

 

হলমার্ক গ্রুপের ঋন কেলেংকারীর এ ঘটনায় দায়ের হওয়া ১১ টি মামলায় ২৫ জনের বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের ৭ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। একই বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর এ মামলার অভিযোগপত্রের অনুমোদন দেয় দুদক।

 

২০১২ সালের ৪ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে প্রতারণা, জালিয়াতি, অর্থ আত্মসাৎ, পরস্পরের যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অর্থের অপব্যবহার ও পাচারের অভিযোগে রাজধানীর রমনা থানায় ১১টি মামলা করে দুদক।